আসুন পরিবর্তন করি নিজের ১টি বদঅভ্যাস

আমাদের মানুষদের সবচাইতে বড় সমস্যা হচ্ছে মানুষের ব্যাপারে ভালভাবে না জেনে খারাপ কিছু ভেবে নেওয়া এবং বাজে মন্তব্য করা। এ ধরনের চরিত্র নিজের মধ্য থেকে দুর করা উচিত সবার। কারণ একই কাজ আপনার নিজের ক্ষেত্রে ঘটলে যদি আপনি নিজে সহ্য করতে না পারেন, তাহলে অন্যদের ক্ষেত্রে কেন একই কাজ করবেন? আপনি কারও কিছু দেখে যা ভাবলেন, হতে পারে বিষয়টি সম্পূর্ণ অন্যরকম। আগে ভালভাবে বিষয়টি জানেন, তারপর মন্তব্য করেন। কয়েকটি ঘটনা বর্ণনা করি, তাহলে বিষয়টি বুঝা যাবে।

affiliate-email-marketing
ঘটনা-১: হাবিবুর রহমান দীপু, জেনেসিসব্লগসে নিয়মিত ইমেইল মার্কেটিংয়ের উপর ধারাবাহিক আর্টিকেল (সবগুলো পর্ব পাওয়া যাবে এ লিংকেঃ (http://genesisblogs.com/author/tutodipu) লিখছেন। যেই আর্টিকেল ইতিমধ্যে বাংলা সকল ব্লগের যেকোন লেখার মধ্যে সবচাইতে বেশি সাড়া ফেলেছে। প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার এ লেখাটি প্রকাশিত হয়। বিভিন্ন সমস্যার কারনে মাঝে মাঝে ঠিক সময়মত পোস্টটি করা হয়না। তখন ফেসবুকে অনেকে না জেনেই বিভিন্ন বাজে বাজে মন্তব্য করা শুরু করেছে। এবং রীতিমত দীপুকে বাটপারসহ অন্য আরো অনেক বাজে গালি দিয়েও ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছিল।
পিছনের ঘটনা জানার আগে আমার প্রশ্নঃ

দীপু যদি প্রতি সপ্তাহে পোস্টটি করার জন্য আপনাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তারপর পোস্টটি কনটিনিউ না করে, তাহলে আপনাদের অভিযোগ এত কঠিনভাবে আসতে পারে। তার কাছ থেকে ফ্রি পুরো বিষয়টি পাচ্ছেন, সুতরাং সেজন্য সবার তার কাছে কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। ফ্রি জিনিস পেতেও যদি গলার জোর থাকে বিষয়টি সহ্য করা সবার জন্যই কষ্টকর হয়ে যায়। আপনি যদি কোন ভিক্ষুককে ২টাকা দিলেন, আর সে বলল ৫০টাকার নিচে সে ভিক্ষা নিবেনা, তখন বিষয়টি আপনার কাছে কখনও ভাল লাগার কথা না।
এবার শুনি এ আর্টিকেল লিখার পিছনের ইতিহাস:

প্রতিটি পর্ব লিখতে, ভিডিও তৈরি করতে, এবং আর্টিকেলটি পোস্ট করার জন্য দিপুর সময় ব্যয় হয় ৪৮ ঘন্টার মত। সেজন্য তাকে ৩-৪ দিন প্রচুর খাটতে হয়। এটি লেখার শুরুর দিকে সে একটি টেক্সটাইল কোম্পানীতে চাকুরী করত। অফিসের কাজেও সে অনেক অনিয়মিত হয়ে পড়ে। যার জন্য তাকে বাধ্য হয়ে একসময় চাকুরীটিও ছেড়ে দিতে হয় এবং লেখার জন্য আউটসোর্সিংয়ের কাজেও নিজে সময় দিতে পারছেনা। তারপরও তার লেখাটি চলতে থাকে। শুধু লেখা না। এব্যপারে সে সরাসরি ফেসবুক গ্রুপ তৈরির মাধ্যমে নিয়মিত সবাইকে ফ্রি সাপোর্টও দিয়ে যাচ্ছে। এত সময় ব্যয় করে কিংবা এত কিছু সেক্রিফাইস করে সম্পূর্ণ বিনা লাভে কেউ এরকম মানুষের উপকার করার মত উদ্যোগ নিতে পারবেন কিনা জানিনা। তারপরও কোন ব্যক্তিগত কারনে তার কোন পর্ব পোস্ট হতে দেরি হওয়ার জন্য যেভাবে মানুষজন্য খুব বাজেভাবে মন্তব্যগুলো ফেসবুকে করেছেন, সেটি সহ্য করাটা আসলেই কষ্টকর। সেজন্য দীপু কয়েকবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ধারাবাহিকটি লেখা বন্ধ করে দেওয়ার।
যে কয়েকবার তার পোস্টটি বন্ধ ছিল তার কারনগুলো ছিলঃ

– আমার নিজের বিয়ের অনুষ্ঠানের সাহায়্যের জন্য তাকে ব্যস্ত রেখেছিলাম।
– আর গত ১মাস যাবৎ তার টাইফয়েড হয়েছে। সেজন্য সে পুরোপুরি শয্যাশায়ি। ১১তম পর্বটি লেখার আগ মুহুর্তে তাকে স্যালাইন দেওয়া হয়েছিল। এরকম অসুস্থ থাকার পরও সে ১১ তম পর্বটি পোস্টটি লিখেছে সবার কথা চিন্তা করে।

বিবেককে এবার জিজ্ঞেস করুন?

এবার কি আপনার বিবেক তাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করার জন্য অল্প একটু পরিমানও দগ্ধ হচ্ছে? যদি না হয়, তাহলে আপনি একজন স্বার্থপর মানুষ, না আপনাকে মানুষ বলাটাও অপরাধ। নিজের মধ্যে পরিবর্তন আনুন। না জেনে কোনও মন্তব্য করাটাকে বন্ধ করুন।

7729

ঘটনা -২: এবারের গল্পের নায়কটিও দীপু। কিছুদিন আগে একজন আমাকে ফেসবুকে চ্যাটিংয়ে জানায় দীপু নাকি ফ্রি ইমেইল মার্কেটিংয়ের ধারাবাহিক আর্টিকেলটি ফ্রি লেখার কথা বলে এখন মানুষের কাছ থেকে টাকা চাচ্ছে। এরকম নাকি একটি ঘোষনা সে দিয়েছে। বিষয়টি আমার কিছুই না জানার থাকার কারনে দীপুর কাছে বিষয়টি জানতে ফোন দেই। তখন সে আমাকে এ সম্পর্কিত ঘোষনার ভিডিও লিংকটি দেয়।
লিংকটি থেকে ভিডিও থেকে যা জানতে পারি সেটি জানা যাক:

সবাই এখনই খুব সহজে আয় শুরু করতে পারবে এবং নিশ্চিতভাবে সারাজীবন আয় করতে পারবে এরকম কোন টিপস চেয়েছে দীপুর কাছ থেকে। সেজন্য দীপু ইমেইল লিস্ট বিল্ডিংয়ের মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে আয়ের একটি পথ (এ সম্পর্কিত বিস্তারিত পোস্টঃ http://genesisblogs.com/tutorial-2/8666) সবাইকে দেখাতে চেয়েছে। সেই লিস্ট বিল্ডিংয়ের কাজে কিছু বিষয় প্রয়োজন, যা দিপুকে কিনেই জোগাড় করতে হবে। সেই খরচ আর মাত্র ১০০০ টাকা তার সার্ভিস চার্জের জন্য রাখবে। সেই হিসেবে সে ৬,০০০টাকার কথা বলেছে।
দেখা যাক, ৬০০০টাকাতে সে কি কি দিচ্ছে?

০১। পছন্দের ডোমেইন নেইম
০২। হোস্টিং প্ল্যান (১জিবি ডিস্কস্পেস + ২০জিবি ব্যান্ডউইথ)
০৩। ল্যান্ডিংপেজ
০৪। কমপ্লিট ভিডিও টিউটোরিয়াল
০৫। সিক্রেট গ্রুপের মাধ্যমে লাইফটাইম সাপোর্ট
ভিডিও লিংকটিঃ HTTPS://WWW.YOUTUBE.COM/WATCH?V=TALU1MT6IVQ
দীপু সবার উপকারের জন্য নিজের সময় নষ্ট করে ইমেইল মার্কেটিং শিখাচ্ছে দেখে কি এখন নিজের পকেটের টাকা খরচ (৬০০০ X ১০০= ৬,০০,০০ টাকা) করেও মানুষকে সব দিবে।

bad-habits
বিবেককে এবার জিজ্ঞেস করুন?

দীপু ইমেইল মার্কেটিংয়ের বিষয়ে ফ্রি টিউটোরিয়াল লিখছে, সময় দিচ্ছে, সেটার জন্য তার নিজের আয়ের পথ বন্ধ করে দিয়েছে, এখন কি তার পকেট থেকে খরচ করেও সবাইকে সার্ভিস দিতে হবে নাকি, সেরকম প্রত্যাশা করেন কিনা ফেসবুকের বন্ধুরা, সেটি বুঝতেছিনাআমাদের মানুষদের সবচাইতে বড় সমস্যা হচ্ছে মানুষের ব্যাপারে ভালভাবে না জেনে খারাপ কিছু ভেবে নেওয়া এবং বাজে মন্তব্য করা। এ ধরনের চরিত্র নিজের মধ্য থেকে দুর করা উচিত সবার। কারণ একই কাজ আপনার নিজের ক্ষেত্রে ঘটলে যদি আপনি নিজে সহ্য করতে না পারেন, তাহলে অন্যদের ক্ষেত্রে কেন একই কাজ করবেন? আপনি কারও কিছু দেখে যা ভাবলেন, হতে পারে বিষয়টি সম্পূর্ণ অন্যরকম। আগে ভালভাবে বিষয়টি জানেন, তারপর মন্তব্য করেন। কয়েকটি ঘটনা বর্ণনা করি, তাহলে বিষয়টি বুঝা যাবে।

affiliate-email-marketing
ঘটনা-১: হাবিবুর রহমান দীপু, জেনেসিসব্লগসে নিয়মিত ইমেইল মার্কেটিংয়ের উপর ধারাবাহিক আর্টিকেল (সবগুলো পর্ব পাওয়া যাবে এ লিংকেঃ (http://genesisblogs.com/author/tutodipu) লিখছেন। যেই আর্টিকেল ইতিমধ্যে বাংলা সকল ব্লগের যেকোন লেখার মধ্যে সবচাইতে বেশি সাড়া ফেলেছে। প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার এ লেখাটি প্রকাশিত হয়। বিভিন্ন সমস্যার কারনে মাঝে মাঝে ঠিক সময়মত পোস্টটি করা হয়না। তখন ফেসবুকে অনেকে না জেনেই বিভিন্ন বাজে বাজে মন্তব্য করা শুরু করেছে। এবং রীতিমত দীপুকে বাটপারসহ অন্য আরো অনেক বাজে গালি দিয়েও ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছিল।
পিছনের ঘটনা জানার আগে আমার প্রশ্নঃ

দীপু যদি প্রতি সপ্তাহে পোস্টটি করার জন্য আপনাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তারপর পোস্টটি কনটিনিউ না করে, তাহলে আপনাদের অভিযোগ এত কঠিনভাবে আসতে পারে। তার কাছ থেকে ফ্রি পুরো বিষয়টি পাচ্ছেন, সুতরাং সেজন্য সবার তার কাছে কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। ফ্রি জিনিস পেতেও যদি গলার জোর থাকে বিষয়টি সহ্য করা সবার জন্যই কষ্টকর হয়ে যায়। আপনি যদি কোন ভিক্ষুককে ২টাকা দিলেন, আর সে বলল ৫০টাকার নিচে সে ভিক্ষা নিবেনা, তখন বিষয়টি আপনার কাছে কখনও ভাল লাগার কথা না।
এবার শুনি এ আর্টিকেল লিখার পিছনের ইতিহাস:

প্রতিটি পর্ব লিখতে, ভিডিও তৈরি করতে, এবং আর্টিকেলটি পোস্ট করার জন্য দিপুর সময় ব্যয় হয় ৪৮ ঘন্টার মত। সেজন্য তাকে ৩-৪ দিন প্রচুর খাটতে হয়। এটি লেখার শুরুর দিকে সে একটি টেক্সটাইল কোম্পানীতে চাকুরী করত। অফিসের কাজেও সে অনেক অনিয়মিত হয়ে পড়ে। যার জন্য তাকে বাধ্য হয়ে একসময় চাকুরীটিও ছেড়ে দিতে হয় এবং লেখার জন্য আউটসোর্সিংয়ের কাজেও নিজে সময় দিতে পারছেনা। তারপরও তার লেখাটি চলতে থাকে। শুধু লেখা না। এব্যপারে সে সরাসরি ফেসবুক গ্রুপ তৈরির মাধ্যমে নিয়মিত সবাইকে ফ্রি সাপোর্টও দিয়ে যাচ্ছে। এত সময় ব্যয় করে কিংবা এত কিছু সেক্রিফাইস করে সম্পূর্ণ বিনা লাভে কেউ এরকম মানুষের উপকার করার মত উদ্যোগ নিতে পারবেন কিনা জানিনা। তারপরও কোন ব্যক্তিগত কারনে তার কোন পর্ব পোস্ট হতে দেরি হওয়ার জন্য যেভাবে মানুষজন্য খুব বাজেভাবে মন্তব্যগুলো ফেসবুকে করেছেন, সেটি সহ্য করাটা আসলেই কষ্টকর। সেজন্য দীপু কয়েকবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ধারাবাহিকটি লেখা বন্ধ করে দেওয়ার।
যে কয়েকবার তার পোস্টটি বন্ধ ছিল তার কারনগুলো ছিলঃ

– আমার নিজের বিয়ের অনুষ্ঠানের সাহায়্যের জন্য তাকে ব্যস্ত রেখেছিলাম।
– আর গত ১মাস যাবৎ তার টাইফয়েড হয়েছে। সেজন্য সে পুরোপুরি শয্যাশায়ি। ১১তম পর্বটি লেখার আগ মুহুর্তে তাকে স্যালাইন দেওয়া হয়েছিল। এরকম অসুস্থ থাকার পরও সে ১১ তম পর্বটি পোস্টটি লিখেছে সবার কথা চিন্তা করে।

বিবেককে এবার জিজ্ঞেস করুন?

এবার কি আপনার বিবেক তাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করার জন্য অল্প একটু পরিমানও দগ্ধ হচ্ছে? যদি না হয়, তাহলে আপনি একজন স্বার্থপর মানুষ, না আপনাকে মানুষ বলাটাও অপরাধ। নিজের মধ্যে পরিবর্তন আনুন। না জেনে কোনও মন্তব্য করাটাকে বন্ধ করুন।

7729

ঘটনা -২: এবারের গল্পের নায়কটিও দীপু। কিছুদিন আগে একজন আমাকে ফেসবুকে চ্যাটিংয়ে জানায় দীপু নাকি ফ্রি ইমেইল মার্কেটিংয়ের ধারাবাহিক আর্টিকেলটি ফ্রি লেখার কথা বলে এখন মানুষের কাছ থেকে টাকা চাচ্ছে। এরকম নাকি একটি ঘোষনা সে দিয়েছে। বিষয়টি আমার কিছুই না জানার থাকার কারনে দীপুর কাছে বিষয়টি জানতে ফোন দেই। তখন সে আমাকে এ সম্পর্কিত ঘোষনার ভিডিও লিংকটি দেয়।
লিংকটি থেকে ভিডিও থেকে যা জানতে পারি সেটি জানা যাক:

সবাই এখনই খুব সহজে আয় শুরু করতে পারবে এবং নিশ্চিতভাবে সারাজীবন আয় করতে পারবে এরকম কোন টিপস চেয়েছে দীপুর কাছ থেকে। সেজন্য দীপু ইমেইল লিস্ট বিল্ডিংয়ের মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে আয়ের একটি পথ (এ সম্পর্কিত বিস্তারিত পোস্টঃ http://genesisblogs.com/tutorial-2/8666) সবাইকে দেখাতে চেয়েছে। সেই লিস্ট বিল্ডিংয়ের কাজে কিছু বিষয় প্রয়োজন, যা দিপুকে কিনেই জোগাড় করতে হবে। সেই খরচ আর মাত্র ১০০০ টাকা তার সার্ভিস চার্জের জন্য রাখবে। সেই হিসেবে সে ৬,০০০টাকার কথা বলেছে।
দেখা যাক, ৬০০০টাকাতে সে কি কি দিচ্ছে?

০১। পছন্দের ডোমেইন নেইম
০২। হোস্টিং প্ল্যান (১জিবি ডিস্কস্পেস + ২০জিবি ব্যান্ডউইথ)
০৩। ল্যান্ডিংপেজ
০৪। কমপ্লিট ভিডিও টিউটোরিয়াল
০৫। সিক্রেট গ্রুপের মাধ্যমে লাইফটাইম সাপোর্ট
ভিডিও লিংকটিঃ HTTPS://WWW.YOUTUBE.COM/WATCH?V=TALU1MT6IVQ
দীপু সবার উপকারের জন্য নিজের সময় নষ্ট করে ইমেইল মার্কেটিং শিখাচ্ছে দেখে কি এখন নিজের পকেটের টাকা খরচ (৬০০০ X ১০০= ৬,০০,০০ টাকা) করেও মানুষকে সব দিবে।

bad-habits
বিবেককে এবার জিজ্ঞেস করুন?

দীপু ইমেইল মার্কেটিংয়ের বিষয়ে ফ্রি টিউটোরিয়াল লিখছে, সময় দিচ্ছে, সেটার জন্য তার নিজের আয়ের পথ বন্ধ করে দিয়েছে, এখন কি তার পকেট থেকে খরচ করেও সবাইকে সার্ভিস দিতে হবে নাকি, সেরকম প্রত্যাশা করেন কিনা ফেসবুকের বন্ধুরা, সেটি বুঝতেছিনা। সে যদি ইমেইল মার্কেটিংয়ের টিউটোরিয়ালটি ফ্রি সবাইকে শিখানোর কথা বলে সেখানে হঠাৎ করে টাকা নেওয়া কথা বলত, তাহলে সেটা প্রতারণা হওয়ার কথা ছিল। সে যেটার জন্য নিচ্ছে, সেটা হচ্ছে, ইমেইল লিস্ট বিল্ডিংয়ের কাজ শিখানোর জন্য।
এবারও কি আপনার বিবেক তাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করার জন্য অল্প একটু পরিমানও দগ্ধ হচ্ছে? যদি না হয়, তাহলে আপনি একজন স্বার্থপর মানুষ, না আপনাকে মানুষ বলাটাও অপরাধ। নিজের মধ্যে পরিবর্তন আনুন। না জেনে কোনও মন্তব্য করাটাকে বন্ধ করুন।

দুটি ঘটনা শুধু এখানে উল্লেখ করলাম। এখানে আরও অনেক ঘটনা দেওয়া যেত। আমার ব্যাপারে এরকম ঘটনা আছে আরো অনেক বেশি। হয়ত আপনার নিজের ব্যাপারেও বলে অনেকেই। জানি, তখন নিজের কাছে খুব খারাপ লাগে। নিজের মধ্য থেকেই আসুন আগে পরিবর্তন করি। কাউকে কিছু বলার আগে ভালভাবে জেনে নেই আরও ভালভাবে। সবকিছুতে নেগেটিভ কিছু দেখার অভ্যাস পরিবর্তন করি, সবকিছুর পজিটিভ দিক খুজে বের করা শিখি। সেই সাথে অন্যদের দোষ না খুজে বের করে, নিজের সমস্যাগুলো খুজে বের করা এবং সেটি সমাধানের দিকে সময় দেওয়া উচিত।। সে যদি ইমেইল মার্কেটিংয়ের টিউটোরিয়ালটি ফ্রি সবাইকে শিখানোর কথা বলে সেখানে হঠাৎ করে টাকা নেওয়া কথা বলত, তাহলে সেটা প্রতারণা হওয়ার কথা ছিল। সে যেটার জন্য নিচ্ছে, সেটা হচ্ছে, ইমেইল লিস্ট বিল্ডিংয়ের কাজ শিখানোর জন্য।
এবারও কি আপনার বিবেক তাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করার জন্য অল্প একটু পরিমানও দগ্ধ হচ্ছে? যদি না হয়, তাহলে আপনি একজন স্বার্থপর মানুষ, না আপনাকে মানুষ বলাটাও অপরাধ। নিজের মধ্যে পরিবর্তন আনুন। না জেনে কোনও মন্তব্য করাটাকে বন্ধ করুন।

দুটি ঘটনা শুধু এখানে উল্লেখ করলাম। এখানে আরও অনেক ঘটনা দেওয়া যেত। আমার ব্যাপারে এরকম ঘটনা আছে আরো অনেক বেশি। হয়ত আপনার নিজের ব্যাপারেও বলে অনেকেই। জানি, তখন নিজের কাছে খুব খারাপ লাগে। নিজের মধ্য থেকেই আসুন আগে পরিবর্তন করি। কাউকে কিছু বলার আগে ভালভাবে জেনে নেই আরও ভালভাবে। সবকিছুতে নেগেটিভ কিছু দেখার অভ্যাস পরিবর্তন করি, সবকিছুর পজিটিভ দিক খুজে বের করা শিখি। সেই সাথে অন্যদের দোষ না খুজে বের করে, নিজের সমস্যাগুলো খুজে বের করা এবং সেটি সমাধানের দিকে সময় দেওয়া উচিত।

টিউন করেছেন ekram

No Comments Yet

Leave a Reply

Your email address will not be published.