সঠিক জীবনসঙ্গী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কিছু পরামর্শ

রা আমাদের জীবনে কতো মানুষের সাথে প্রতিদিন পরিচিত হই। এদেরই কেউ হয়তো একটা সময় আমাদের জীবনসঙ্গী হয়।  এক্ষেত্রে নির্বাচনের ব্যাপারে আমরা মোটামুটি সবাই সচেতন থাকি। তারপরেও কিছু কিছু বিষয় মাথায় রাখলে হয়তো আপনার জীবনটা সুন্দর হতে পারে। তাই চলুন না চেষ্টা করে দেখি। পুরা লাইফের ব্যাপার। একবার ভুল করা মানে সারাটা জীবন মাসুল দেওয়া। হা কথা আছে মানবতা সবার আগে। উচু নিচু ভেদাভেদ নাই। তবে আসলেই কি তাই? একটু পারিপার্শ্বিক অবস্থা দেখলেই বুঝতে পারবেন। তাই মনুষত্য বজায় রেখে যতোটুকু পারা যায় এপ্লাই করি। তাতে যদি আপনার সারাটা জীবন সুখের হয় সেটা আপানারই জীবনের সার্থকতা। তো শুরু করা যাক।

happy-couple

অফিসের বসঃ আপনার অফিসের বসের সাথে আপনার সম্পর্কটা যতই ভালো থাকুক তাকে জীবনসঙ্গী করার চিন্তা মাথায় না রাখাই ভালো। কারণ মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই সে সব সময় আপনাকে কীভাবে উচ্চাভিলাষী হওয়া যায়, আপনি অন্যদের সঙ্গে কীভাবে সম্পর্ক রক্ষা করবেন, বন্ধুদের সঙ্গে আচরণ কেমন হবে, কার সঙ্গে কেমন করে কথা বলতে হবে, সেসব বিষয়ে টিপস্ দিতে শুরু করবে। যেটা একসময় আপনার কাছে বিরক্তির কারন হয়ে উঠবে এবং সংসারে অশান্তি লেগে থাকবে।

ডিরেক্ট ওয়েতে যারা কথা বলে নাঃ যারা ডিরেক্ট ওয়েতে কথা বলাটা পছন্দ করে না মানে আপনাকে তার কথা থেকে এজিউম করে নিতে হবে আসলে সে কি বলতে চাচ্ছে। এইসব নারী পুরুষদের কে জীবনসঙ্গী করার আগে আরো একবার ভেবে নিন।

যে আপনাকে তার নিজের মত করে পেতে চায়ঃ যার মধ্যে একটা ডমিনেটিং ভাব থাকে অর্থাৎ সে নিজেকে চেঞ্জ করতে পারবে না। সেক্রিফাইস আপ্নাকেই করতে হবে। সেক্ষেত্রে সংসারে ঝামেলার শেষ থাকে না। কারন আমাদের প্রত্যেকের একটা ব্যাক্তিগত সত্তা থাকে। নিজস্ব কিছু চিন্তা চেতনা বা ইচ্ছে থাকে। সেগুলো নিশ্চয়ই আপনার ভালো লাগবে না। সম্পর্কের মধ্যে সেক্রিফাইস ব্যাপারটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

স্বার্থপর, ঈর্ষাকাতর: তিনি আপনাকে সবসময় একটা চাপের মধ্যে রাখতে চাইবেন। সেই সাথে নিজেকে আপনার সঙ্গে অনিরাপদ মনে করবেন। আপনি অন্য কোনো মেয়ে এমন কি আত্মীয়, বন্ধু বা নারী সহকর্মীর সঙ্গে কথা বললেও সে ভালোভাবে নেবে না। ফলে সংসারে অশান্তি নিয়মিতই হতে থাকবে, এজন্য সময় থাকতেই এমন জীবনসঙ্গি বেছে না নেওয়াই ভালো।

মানুষ আমাদের চেয়ে সুখী হয়: ইনি ক্রমাগত অন্যদের সঙ্গে তার জীবনের তুলনা করে থাকেন, তার বন্ধুরা আপনার চেয়ে বেশি ধনী, বেশি সুখী এবং আপনার চেয়ে সফল। বারবার যখন এ বিষয়গুলো আপনার সামনে তুলবে তখন ভেতরে ভেতরে দুজনই কষ্ট পাবেন। তবে এই কষ্ট নিরব থেকে সরব হতে খুব বেশি সময় নেবে না।
তাই জীবনে সুখী হতে চাইলে যে ভালোবাসবে এবং বাস্তবতাও বুঝবে এমন কাউকে বেছে নিন।

টিউন করেছেন Shahnaz Akter Nipa
No Comments Yet

Leave a Reply

Your email address will not be published.